পাথর-বালু উত্তোলনে হুমকিতে ধলাই সেতু

প্রকাশিত: ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪

পাথর-বালু উত্তোলনে হুমকিতে ধলাই সেতু

Manual6 Ad Code

আবুল হোসেন, কোম্পানিগঞ্জ :: দেশের বৃহত্তম কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার। অসহায় এসব শ্রমিক নিরুপায় হয়ে বালু ও পাথর উত্তোলন করছেন সিলেটের দীর্ঘতম ধলাই সেতুর নিচ থেকে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে এই স্থাপনা। বালু ও পাথর উত্তোলনের স্থানটি ভোলাগঞ্জ কালাসাদেক বিজিবি ক্যাম্পের পাশেই। ওই এলাকায় বালু এবং পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযান পরিচালনা ও নৌকা জব্দ করলেও থামানো যাচ্ছে না শ্রমিকদের।

Manual4 Ad Code

২০০৫ সালে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৩৪ দশমিক ৩৫ মিটার দীর্ঘ ও ৯ দশমিক ৫ মিটার প্রস্থের ধলাই সেতুর নির্মাণ ব্যয় হয়। সেতুর স্থায়িত্ব ৭৫ বছর। ২০০৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান সেতুটি উদ্বোধন করেন। সেতুটি চালুর ৮ বছরের মাথায় ২০১৪ সালে ফাটল ও বিভিন্ন ত্রুটি ধরা পড়ে। এ নিয়ে সেই সময় পত্রিকায় লেখালেখি ও আন্দোলন শুরু হয়। সেতুটি পরিদর্শনে যান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি সেতুর ঝুঁকিপূর্ণ দিক খতিয়ে দেখে দ্রুত মেরামত ও ত্রুটি সরানোর কাজ শুরুর নির্দেশ দেন। কিন্তু ৮ বছরেও ত্রুটি সরানো এবং মেরামতের কাজ করেনি সেতুর দায়িত্বে থাকা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। ১৫ বছরের মাথায় আবার বড় ধরনের ফাটল ও ত্রুটি দেখা দিলে স্থানীয় জনতা আবারো আন্দোলন শুরু করে। সওজ বিভাগ ২০২২ সালে সেতুটি মেরামত করে।

সম্প্রতি রাতের আঁধারে ঠিক সেতুর নিচ থেকে বালু ও পাথর উত্তোলন করছে কিছু বারকি শ্রমিক। পুলিশ বলছে, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলেও শ্রমিকদের নিবৃত্ত করা যাচ্ছে না।

Manual6 Ad Code

স্থানীয় কলাবাড়ী গ্রামের মইন উদ্দিন মিলন, আজাদ মিয়া, ইমাম হোসেন ও ইয়াছিন আলী এ প্রতিবেদককে জানান, ভোলাগঞ্জ, উতমা ও শারপিনটিলা পাথর কোয়ারি

Manual8 Ad Code

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা নিরুপায় হয়ে পেটের দায়ে ধলাই সেতুর নিচ থেকে বালু ও পাথর উত্তোলন করছেন। তারা আরও জানান, স্থানীয় প্রশাসনের কড়া নজরদারি ও এলাকাবাসীর নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কিছু শ্রমিক এ কাজ করছেন। তাদের দাবি, সবকটি পাথর কোয়ারি উন্মুক্ত করে দিলে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হবে। অন্যথায় যতই কড়াকড়ি আরোপ করা হোক না কেন, শ্রমিকদের নিবৃত্ত করা যাবে না।

কোম্পানিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম দস্তগীর ও ইউএনও সুনজিত সরকার জানান, সেতুটি রক্ষায় নিয়মিত পুলিশ টহল অব্যাহত রয়েছে। প্রতিনিয়ত নৌকা জব্দ করছি। শ্রমিকরা নেহায়েত গরিব। তাই তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। তবে তাদের প্রতিনিয়ত সচেতন ও সাবধান করা হচ্ছে। সৌজন্যে : দৈনিক আমাদের সময়

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

February 2024
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829  

সর্বশেষ খবর

………………………..