ডা. মিথিলার সঙ্গে আইসিটি কর্মকর্তার পরকীয়া : ‘আপত্তিকর’ অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে আটক

প্রকাশিত: ৯:৩৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ১, ২০২১

ডা. মিথিলার সঙ্গে আইসিটি কর্মকর্তার পরকীয়া : ‘আপত্তিকর’ অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে আটক

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা খানম মিথিলা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা কাজী মইনুল ইসলাম পরকীয়া করতে গিয়ে আটক হয়ে হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে খবর চাউর হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ জুন) রাত ১টার দিকে চাটখিল বাজারের খোকন ভিডিওর গলিতে পপুলার মডেল ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় ডাক্তার ফারহানা খানম মিথিলার ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা খানম মিথিলা ও আইসিটি অফিসার কাজী মইনুল পরকীয়ায় জড়িয়ে অসামাজিক কাজ করার সময় মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে এলাকার ১৫-২০ জন যুবকের হাতে আটক হন। এক পর্যায়ে গভীর রাত পর্যন্ত দেন-দরবার শেষে পরকীয়া দেখে ফেলা যুবকদের এক লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি দফারফা করা হয়।

কিন্তু তাদের মধ্যে কয়েকজন যুবক টাকা না পেয়ে রাতের ঘটনার ভিডিও-ছবি বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে দিলে এই ঘটনা চাটখিলে টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে উঠে পড়ে লেগেছে। অনেকেই ফেসবুক ও ফোন থেকে ঘটনার সময় ধারণকৃত ছবিও ভিডিও ডিলিট করতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে উচ্চশিক্ষিত প্রথম শ্রেণির ডাক্তার ও সরকারি কর্মকর্তা পরকীয়ায় জড়িয়ে অসামাজিক কাজে ধরা পড়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছে না এলাকাবাসী। তারা অভিযুক্ত দুই সরকারি কর্মকর্তার আইনানুগ শাস্তির দাবি করেছেন।

চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা খানম মিথিলা দাবি করেন, এটি ভুয়া খবর। তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চান না। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা কাজী মইনুল ইসলামের ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। তবে তিনি বিষয়টি ফেসবুকে দেখেছেন।

চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘এ বিষয়ে কানাঘুষা হলে আমি মিথিলাকে জিজ্ঞাসা করি। সে আমাকে জানায় উপজেলার এক আইটি অফিসার উনার মায়ের রিপোর্ট নিয়ে তার বাসায় গিয়েছিলো। সে ওই কর্মকর্তাকে খাওয়ার জন্য খিচুড়ি দেয়। এমন সময় বাড়ির মালিক গেট বন্ধ করে দেয়। পরে স্থানীয় কয়েকজন যুবক নাকি ঝামেলা করেছে। এই হলো কাহিনী।’

এ বিষয়ে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু সালেহ মোহাম্মদ মোসা জানান, এ বিষয়ে তিনি এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাননি।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

July 2021
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

সর্বশেষ খবর

………………………..