গোয়াইনঘাটে ট্রিপল মার্ডার : পুলিশ ধারণা জমি-পারিবারিক জেরে হত্যাকান্ড

প্রকাশিত: ১:৫৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২১

গোয়াইনঘাটে ট্রিপল মার্ডার : পুলিশ ধারণা জমি-পারিবারিক জেরে হত্যাকান্ড

Manual5 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে মা ও দুই শিশু সন্তানসহ তিন জনকে গলা কেটে হত্যারি ঘটনায় সিলেটের ডিআইজিসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সেই সাথে পুলিশের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (১৫ জুন) দিবাগত রাতের কোনও এক সময় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। পরে খবর পেয়ে বুধবার (১৬ জুন) সকালে গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর বিন্নাকান্দি দক্ষিণপাড়া গ্রাম থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতদের লাশ ময়নাতদেন্তর জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Manual2 Ad Code

নিহতরা হলেন বিন্নাকান্দি দক্ষিণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হিফজুর রহমানের স্ত্রী আলেয়া বেগম (২৭), ছেলে মিজান আহমদ (১১) ও মেয়ে তানিসা (৫)।

এদিকে হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে সিলেটের ডিআইজি মোঃ মফিজ উদ্দিন, সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ (অপরাধ) আশিশুর রহমান, গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিলুর রহমান, গোয়াইনঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার প্রবাস কুমার সিংহ, গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আহাদ, জৈন্তাপুর থানার ওসি গোলাম দস্তগীর, ইন্সপেক্টর জৈন্তাপুর ফারুক আহমেদ, ইন্সপেক্টর তদন্ত দীলিপ কান্ত নাথ, ওসি ডিবি মোঃ সাইফুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে রয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে হিফজুরের মামা ও কয়েকজন আত্মীয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। পুলিশ ধারণা করছে জায়গা সংক্রান্ত ও পারিবারিক বিরোধ জেরে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

Manual6 Ad Code

এদিকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যালে কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হিফজুর রহমানের জ্ঞান এখনও ফিরিনি। পুলিশের পাহারায় তার চিকিৎসা চলছে।

Manual5 Ad Code

সিলেটের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন বলেন, হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশের একাধি ইউনিট কাজ করে যাচ্ছে। কয়েকটি বিষয় মাথায় নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী।

Manual5 Ad Code

তিনি জানান, ভিকটিম হিফজুর যে ঘরে থাকতেন ওই ঘরটি তার মায়ের পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত। আর পাশের আরও দুটি ঘরে তার মামারা থাকতেন। হিফজুর দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাদের মামাসহ আত্মীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম বলেন, পুলিশ কয়েকটি বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এরমধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত ও পারিবারিক বিরোধ। সেই সাথে হিফজুর পুলিশের পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার জ্ঞান ফিরেনি। জ্ঞান ফিরার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। হামলাকারীরা শিশু দুটি গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যা করেছে। আর শিশুদের মা আলেয়া বেগমের বুকে, পিঠেসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। সেই সাথে হিফজুরের শরীরের একাধিকস্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..