সিলেট ৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ১:১৯ পূর্বাহ্ণ, মে ৫, ২০২১
সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, গোয়াইনঘাট :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। বুধবার ৫মে দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় উপজেলার ৩নং পূর্বজাফলং ইউনিয়নের ছৈলাখেল ৮ম খন্ড গ্রামের আব্দুল জলিল’র পুত্র আব্দুর রাজ্জাক (৩৫)কে গ্রেফতার করে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ।
পুলিশ সুত্র জানায়, ২৫(২)/২৯(১)/৩১(২) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর দ্বারায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ওয়েবসাইট/ ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সি ডিভাইস ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিশিষ্ট জনকে জড়িয়ে মিথ্যা, মানহানিকর আক্রমানত্মক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপাত্ত প্রকাশ এবং প্রচার করে এলাকায় আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অস্থিশীলতা করার অপরাধে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত যুবক ছৈলাখেল ৮ম খন্ড গ্রামের আব্দুল জলিল’র পুত্র আব্দুর রাজ্জাক (৩৫)কে প্রধান আসামী করে গোয়াইনঘাট উপজেলা শ্রমিকলীগ’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহীন আহমদ একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার প্রেক্ষিতে থানার এসআই লিটন রায় সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে আব্দুর রাজ্জাক’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আব্দুর রাজ্জাক ফেসবুকে নামে-বেনামে ফেইসবুক একাউন্ট খুলে উপরে উল্লেখিত ব্যাক্তিগনদের বিরোদ্ধে নানা সময়ে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করে আসছে। সর্ব শেষ গত ৩০ এপ্রিল আব্দুর রাজ্জাক উপরে উল্লেখিত ব্যাক্তিগনদের নিয়ে মানহানিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেন।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আহাদ বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে উপজেলা শ্রমিকলীগ’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহীন আহমদ’র দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুর রাজ্জাক’র বিরোদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার সূত্র ধরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে আজ বুধবার আদালতে পাঠানো হবে। রাত দেড়টায় এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত গ্রেফতার আব্দুর রাজ্জাক থানা হাজতে রয়েছে’।
উল্লেখ্য, রাজ্জাক স্থানীয় পাথরখেকো আলীম উদ্দিনের চাঁদার টাকা উত্তোলন করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে ধর্ষণসহ একাধিক মামলায় আলীম উদ্দিন কারাগারে রয়েছে। যার ফলে রাশেদ আলম রাজ্জাক কোনো আয়ের উৎস না পেয়ে কিছু বখাটে যুবক নিয়ে জাফলংয়ে গড়ে তুলেছে একটি চক্র। এই চক্রের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার আর গুজব চালিয়ে যাচ্ছেন।
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd