সিলেটে ব্রিটিশ তরুণীকে অপহরণ, ফোর্সড ম্যারেজে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা

প্রকাশিত: ৬:০৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৩, ২০২০

সিলেটে ব্রিটিশ তরুণীকে অপহরণ, ফোর্সড ম্যারেজে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা

Sharing is caring!

নিজস্ব প্রতিবেদক :: গত ৩ অক্টোবর গোলাপগঞ্জ উপজেলার হিলালপুর ড্রিমল্যান্ড ওয়ার্টার পার্কের কার রাইডে চলন্ত অবস্থায় আহত হওয়া তরুণী মুনতাহা আক্তার সামিয়া (১৯) কে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সামিয়ার মা রাজমিন করিম। তারা উভয়ে ২০১৬ সালে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ ১৫/১৬ বছর যাবৎ তারা লন্ডনে বসবাস করে আসছেন। তারা ব্রিটিশ রেসিডেন্স কার্ড হোল্ডার নাগরিক।
সম্প্রতি এক অনুসন্ধানে এসএমপি’র শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে রাজমিন করিম এর দাখিলকৃত লিখিত অভিযোগ সহ সামিয়ার আপন স্বজন ও মায়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের হয়ে আসে।
সামিয়ার মা রাজমিন করিম এ প্রতিবেদককে বলেন, তিনির একমাত্র মেয়ে সামিয়াকে ৫ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে সঙ্গে নিয়ে উন্নত জীবন-যাপনের আশায় লন্ডন চলে যান। লন্ডনে থেকে অনেক কষ্ট করে তারা সেখানের নাগরিক হন। গত ৩১ জুলাই কাতার এয়ারওয়েজ যোগে মা-মেয়ে লন্ডন থেকে ফ্লাইট করে ঢাকা হয়ে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌছেন। সেখানে আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা বিয়ানীবাজার উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে অটোরিক্সা (সিএনজি) চালক রুহুল আলম উরফে জাকারিয়া (৩৪) তাদেরকে গ্রহণ করে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে সিলেট নগরীর উপশহর ই-ব্লকের ৪নং রোর্ডের ১৫১নং ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। ওই বাসাটি জাকারিয়াই ভাড়া করে রেখেছিলো।
৩১ জুলাই রাজমিন করিম ও মেয়ে সামিয়া বাসায় প্রবেশ করে দেখতে পান জাকারিয়ার মা, বোন, ভাই সহ বেশ কয়েকজন লোক বাসায় আছেন। তখন রাজমিন করিম বলেন, এতো লোকজন এই বাসায় কেন? একথা বলার পর জাকারিয়া ও তার স্বজনরা রাজমিন করিমকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে ফেলে আর তাদেরকে বাসার ভেতর থেকে বের হতে দেয়নি।
গত ৫ আগস্টের মধ্যে জাকারিয়া ও তার আপনজন সংঘবদ্ধ হয়ে রাজমিন করিমের ভ্যানেটি ব্যাগে থাকা লন্ডনের একটি ব্যাংকের ডেভিট কার্ড, নগদ ৭শত পাউন্ড, নগদ ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা, ব্রিটিশ টেলিকমের ও এদেশী মোবাইল সিম, স্বর্ণালংকার, মুনতাহা আক্তার সামিয়ার নামে ব্রিটিশ সরকার ইস্যুকৃত রেসিডেন্ট নাগরিক কার্ড, সামিয়ার ভিসাযুক্ত পাসপোর্ট ও বিমান টিকেট সহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।
গত ৭ আগস্ট তারিখে জাকারিয়ার সাথে সামিয়াকে বিবাহ দেয়ার জন্য রাজমিন করিমের উপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করে জাকারিয়া। রাজমিন করিম তার মেয়েকে জাকারিয়ার সাথে বিবাহ দিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এতে জাকারিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে রাজমিন করিমের উপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।
গত ৬ আগস্ট জাকারিয়া তার মা, বোন, ভাই সংঘবদ্ধ হয়ে রাজমিন করিমকে বাসায় জিম্মি রেখে একমাত্র মেয়ে সামিয়াকে কৌশলে জিন্দাবাজারে মার্কেট করে দিবে বলে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়। এরপর সামিয়াকে জাকারিয়া বাসায় তার মায়ের কাছে ফেরত দেয়নি। অন্যদিকে সামিয়াকে জাকারিয়া বাসা থেকে বের করে অন্যত্র নেয়ার সময় রাজমিন করিমকে বাসার ভেতর রেখে দরজার বাহির দিকে তালা মেরে তারা চলে যায়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার পর রাজমিন করিম অন্যের সাহায্যে খবর দিয়ে সিলেট নগরীতে বসবাসরত ৩ জন আপন স্বজনকে ওই বাসায় ডেকে আনেন। তারা জাকারিয়ার ছোট ভাইকে ফোন দিলে সে বাসার দরজার তালা খোলে দেয়ার পর সিম ফেরত দেয়। ওই সময় স্বজনরাও রাজমিন করিমের কাছে যান এবং ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়ে জাকারিয়ার নাম্বারে ফোন দিয়ে অনুরোধ করেন সামিয়াকে বাসায় নিয়ে আসতে। এভাবে রাত ১২টা পার হয়ে যায়। গভীর রাতে স্বজনরা পুনরায় অনুরোধ করে জাকারিয়ার ফোনে কথাবার্তা বললে, সে হুমকী দিয়ে বলে, তোমরা এ বাসায় কেন এসেছে। এখনই চলে যাও। নতুবা রাজমিন করিমসহ তোমাদের সবাইকে প্রাণে মেরে ফেলবো। তখন রাজমিন করিম কেঁদে ফেলে তাকে উদ্ধার এবং নিরাপদে স্বজনদের বাসায় আশ্রয় দেয়ার কথা বললে ওই ৩জন স্বজন তাকে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে যান।
সামিয়া লন্ডনের কনসেপ্ট কলেজের এ লেভেল পাস হওয়া একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। এ লেভেল পরীক্ষায় সামিয়া কৃতকার্য হওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে মেডেল উপহার দেন। আগামী বছর সামিয়া ইংল্যান্ডের নামকরা বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরিকল্পনা ছিলো।
৭ আগস্ট জাকারিয়া সকলের অজ্ঞাতে ওই বাসায় পুনরায় এসে তার আপন স্বজনদের নিয়ে বাসা ছেড়ে চলে যায়। যাওয়ার সময় লন্ডন থেকে আনা রাজমিন করিম ও সামিয়ার ব্যক্তিগত লাগেজ সহ জিনিসপত্র নিয়ে জাকারিয়া চলে যায়।
৬ আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাস পেরিয়ে অক্টোবরের ৩ তারিখের মধ্যে সামিয়াকে জাকারিয়া জোরপূর্বক জিম্মি করে এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে করে অজ্ঞাত স্থানে রেখে সামিয়াকে আর মায়ের মুখ দেখায়নি।
রাজমিন করিম বলেন, এটা বিয়ে জোরপূর্বক, কিডন্যাপের মাধ্যমে ফোর্সড ম্যারেজ। এরপর থেকে রাজমিন করিম নিরাপত্তা হীনতায় ভোগেন।
বিগত ১৫ আগস্ট রাজমিন করিম জাকারিয়া ও তার স্বজন দ্বারা আক্রান্ত হয়ে এসএমপি শাহপরান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি সীল মেরে থানা কর্তৃপক্ষ রিসিপ কপি দিলেও পুলিশ অভিযোগটি আমলে নেয়নি। ওই অভিযোগে তাদের মালামাল লুট সহ সামিয়াকে অপহরণের কথা উল্লেখ রয়েছে। পুলিশ সময়মত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কঠোর পদক্ষেপ নিলে এ ঘটনা ঘটতনা। বরং প্রতিরোধ করা যেতো।
গত ২ অক্টোবর সামিয়ার আপন মামা এপলু লন্ডন থেকে জাকারিয়ার ব্যক্তিগত ফোন নাম্বারে সামিয়ার বিষয়ে কথা বলে অনুরোধ করেন তাকে যে, একটি বারের মতো সামিয়াকে তার মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এই অনুরোধ জাকারিয়া প্রতাখ্যান করে। জাকারিয়াকে লন্ডন থেকে এপলু তাকে আরো বলেন, তুমি সামিয়াকে বিয়ে করে লন্ডন আসতে পারবে না। কারণ সামিয়া একজন শিক্ষার্থী। সামিয়ার মা তোমাকে লন্ডন নিতে পারবে। তার জন্য তুমি যে অপরাধ করেছো, সেজন্য রাজমিন করিমের কাছে তোমার ক্ষমা চেয়ে সামিয়কে ফেরত দিতে হবে। এই কথাও জাকারিয়া কর্ণপাত না করে চরম উত্তেজিত হয়।
৩ অক্টোবর দিনের বেলার পরিবর্তে সন্ধ্যা বেলা সামিয়াকে সঙ্গে নিয়ে জাকারিয়া ড্রিমল্যান্ড ওয়াটার পার্কে বেড়াতে যায়। বিভিন্ন স্পট বেড়ানো শেষে সে সামিয়াকে কার রাইড চড়তে উদ্বুদ্ধ করে। এতে সহজ সরল বাংলা কম জানা সামিয়া তাকে বিশ^াস করে কার রাইড চড়তে যায় দু’জন। এ সময় তারা দু’জন ব্যাতিত আর কেউ সেখানে ছিলো না। কার রাইড চড়তে দু’জনে ৬শ’ টাকা পরিশোধ করে রাইডে ওঠে। রাইডের সামনের কারে সামিয়া আর পিছনে কারে জাকারিয়া রাইড চালাচ্ছিলো। ১ থেকে ২ রাউন্ড ঘুরে আসার সময় পিছন দিক থেকে জাকারিয়া সামিয়ার রাইড কারে জোরে ধাক্কা দিলে সামিয়া কিছু সময়ের জন্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তখন জাকারিয়া সহ সংশ্লিষ্টরা মাথায় পানি দেন ও পানি খাওয়ান। এর কিছুক্ষণ পর জাকারিয়ার হাতের একটি আঙ্গুল সাময়িার মুখে ঢুকালে তাতে সামিয়া জোরে কামড় দেয়। কামড় খেয়ে জাকারিয়া সামিয়াকে বলে ‘তুইতো আমাকে মেরে ফেলসিস’। এ সময় সামিয়ার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক দেখা গেছে। গলায় ও বুকে কোন দাগ দেখা যায়নি। পার্ক থেকে বের হওয়ার সময় গলায় পরা বুক বরাবর অলংকার স্বাভাবিক অবস্থায় পরা দেখেছে পার্কে আগতরা।
ঘটনার এক পর্যায় সামিয়া হেটে হেটে পার্ক থেকে বের হতে চাইলে জাকারিয়া তাকে জোর করে কোলে নিয়ে পার্কের গেইট পার হয়ে গাড়িতে উঠিয়ে সিলেটের হাসপাতালে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। গাড়িতে একজন আরেক জনের সাথে কথা হয়। ওই গাড়িতে ভেতরে আরো কয়েকজন লোক ছিলেন বলে সামিয়ার মা দাবী করেন। প্রথমে সামিয়াকে সোবাহানিঘাটস্থ ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার সামিয়াকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
সামিয়ার মা রাজমিন করিম ৩য় পক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌছে সামিয়ার লাশের দিকে চেয়ে দেখেন গলার স্বর্ণালংকারের মেডেলটি বুকের চামড়ার ভেতর ঢুকানো। গলায় শ^াস রোধ করার দাগ এবং নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে। হাসপাতাল মর্গের ফ্রিজে জায়গা না থাকায় সিলেট ডায়েবেটিস হাসপাতালের ফ্রিজে সামিয়ার লাশ রাখা হয়।
পরের দিন ৪ অক্টোবর সেখান থেকে লাশবাহি এ্যাম্বুলেন্সে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় পৌছলে বেলা ১১টার সময় থানার সংশ্লিষ্ট একজন পুলিশ অফিসার নিজে একটি অভিযোগ নামা রাজমিন করিমের নামে লিখে তিনিকে বলেন স্বাক্ষর দিতে। তিনি সরল বিশ^াসে কোন কিছু না বুঝে মানসিক বিপর্যস্ত অবস্থায় স্বাক্ষর করেন। ওই অভিযোগটি গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ অপমৃত্যু মামলা হিসেবে গণ্য করে। যার নং- ৭, স্মারকনং- ৩২৯৬(৩)/১। তবে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশের এক সদস্য বলেছেন, এটা লাভ ম্যারেজ। এই অজুহাতে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নিয়ে হাল্কা করার চেষ্টা করার সন্দেহ রয়েছে।
সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সামিয়ার লাশের ময়নাতদন্ত করেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকগণ। আর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন সিলেট জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষ।
ওসমানী হাসপাতালে দায়িত্বরত একজন পুলিশ সদস্য এ প্রতিবেদককে জানান, সামিয়ার লাশ নিয়ে হাসপাতালে জাকারিয়া উপস্থিত হলে সামিয়ার লাশের অবস্থা দেখে তাকে উপস্থিত একজন পুলিশ সদস্য জিজ্ঞাসাবাদ করলে জাকারিয়া অসলগ্ন কথাবার্তা বলে। সামিয়ার মৃত্যুর ব্যাপারে জাকারিয়া সন্তষ্টজনক কোন জবাব দিতে পারেনি বলে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তার সাথে কথাবার্তা থেকে বিরত থাকেন। হাসপাতালে সামিয়ার লাশ দেখার সময় মা রাজমিন করিম ও জাকারিয়া উপস্থিত ছিলো। কিন্তু উভয়ের মধ্যে কোন কথা হয়নি।
সামিয়ার লাশ গোলাপগঞ্জের ঢাকাদক্ষিণের উত্তর রায়গড়ে নানার বাড়ির পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এ ঘটনার পর থেকে সামিয়র মা রাজমিন করিম জাকারিয়ার ভয়ে আত্মগোপনে আছেন। এ অবস্থায় জাকারিয়া রাজমিন করিমের ফোন নাম্বারে অন্য স্বজনদের দিয়ে প্রতি নিয়ত ফোন দিয়ে আর বাড়াবাড়ি না করার জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছে।
২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে রাজমিন করিম মেয়ে সামিয়াকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডন থেকে ১ম বারের মতো দেশে আসেন। ওই সময় কালে সিএনজি চালক জাকারিয়া তাদেরকে রিজার্ভ টিপে সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় এক মাস ঘুরে বেড়িয়েছে। রাজমিন করিম জাকারিয়াকে এক মাসের অটোরিক্সা (সিএনজি) ভাড়া বাবদ ৪০ হাজার টাকা দেন। তার মায়ের জন্য গৌবিন্দশ্রী বাড়িতে রাজমিন করিমের টাকায় পাকা ঘর তৈরি করে দেয়া হয়।
১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সিলেট জেলা পুলিশের গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিরুল ইসলাম এর কাছে সামিয়ার মৃত্যুর রহস্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, সামিয়া হত্যা না দুর্ঘটনা বিষয়টির তদন্ত প্রক্রিয়াধীন। ময়না তদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।
এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশীদ চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সামিয়া ড্রিমল্যান্ড পার্কের কার রাইডে গলায় ওড়না পেচিয়ে আহত হয়ে মারা গেছে, একথায় তিনি শতভাগ নিশ্চিত বলেছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

October 2020
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares