ছাতকে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও মন্দির ভাংচুর, মামলা করে বিপাকে

প্রকাশিত: ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৬, ২০২০

ছাতকে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও মন্দির ভাংচুর, মামলা করে বিপাকে

Sharing is caring!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার পৌর এলাকার তাতীকোনা গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও তাদের মন্দির ভাংচুর করেন একই এলাকার প্রভাবশালীরা। এ ঘটনায় গত ১১ মে তাপস দাস বাদি হয়ে ছাতক থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আসামীরা জামিনে মুক্তি পায়। এরপর থেকে শুরু করে এই হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উপর নির্যাতন।

জানা গেছে, ছাতক উপজেলার পৌর এলাকার তাতীকোনা গ্রামের সুদুর মিয়ার ছেলে সাবলু মিয়া (২৫), আহমদ আলীর ছেলে আইয়ুব আলী (২৭), মৃত আমরু মিয়ার ছেলে আলমগীর আলী (৩২), ডালিম মিয়া (৪২), জাহির উদ্দিনের ছেলে এমরান মিয়া (২৯), আলী হোসেন (২৬), মৃত মকদ্দুছ আলীর ছেলে রুবেল সহ একটি চক্র দীর্ঘ দিন থেকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে আসছে।

মামলার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে এই চক্রের সদস্যরা প্রকাশে গত (১১ জুন) তাতীকোনা গ্রামের সুমন্ত দাসের ছেলে সন্টু দাস (২০)কে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি শুরু করেন। পরে তাকে হুমকি দিয়ে বলেন- তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার না করলে যে কোন সময় সন্টু দাসকে রাস্তায় মেরে ফেলবে। এমনকি তাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি-ঘর চালিয়ে দিবে এবং লোকজনকে প্রাণে হত্যা করে লাশ গুম করবে। তাদের এমন হুমকিতে আতঙ্কিত হয়ে সন্টু দাস থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করতে যান। কিন্তু থানা পুলিশ তাদের ডায়েরি গ্রহণ করেননি। পরে গত ১৮ জুন সুনমগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন সন্টু দাস।

কিন্তু সর্বশেষ নিজেকে রক্ষা করতে পারেন নি। এই প্রভাবশালীদের সাজানো মিথ্যা মামলায় আসামি হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন পিপলু দাস।

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ’র নেতৃবৃন্দের দাবি পিপলুর দাসকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। সন্টু দাসের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত এই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানান তারা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares