আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পেলেন নার্সিং কর্মকর্তা মিতালি

প্রকাশিত: ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পেলেন নার্সিং কর্মকর্তা মিতালি

Sharing is caring!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : গ্লোবাল হিউম্যানিটেরিয়ান এ্যওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশী নার্স মিতালী কর্মকার। তিনি ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (এনআইসিভিডি) তে সিনিয়র স্টাফ হিসেবে কর্মরত আছেন।

আজ ২৮ই জুন আমেরিকায় World Humanitarian Drive অফিস থেকে আন্তর্জাতিকভাবে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়। এই ইভেন্টে ৫০ টি দেশের ৬০ হাজার প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। মোট ১২ টি ক্যাটাগরিতে এই এ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। করোনায় ফ্রন্টলাইন ফাইটার্স হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করায় তাকে এই পুরষ্কারে মনোনীত করা হয়েছে। ১২ ক্যাটাগরীতে মেডিকেল সার্ভিস রয়েছে ১ম ক্যাটাগরিতে।

মিতালি রানী কর্মকার ২০১৬ সালে সরকারি চাকরিতে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগদান করেন। দেশে করোনা মোকাবিলায় তিনি ২৭ এপ্রিল থেকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে করোনা আইসোলেশনে নার্স হিসেবে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত আছেন। এবং করোনা রোগীর সেবা দিতে গিয়ে ১৫ই মে নিজেই করোনায় আক্রান্ত হন৷ পরে ২৭ মে করোনা নেগেটিভ আসার পরে পরবর্তীতে ১৪ই জুন পূনরায় করোনা আইসোলেশনে কাজ করা শুরু করেন।

নার্সিং পেশার পাশাপাশি তিনি নানা সমাজ সংগঠনমূলক কাজে জড়িত। তিনি সোসাইটি ফর নার্সেস সেফটি এন্ড রাইটসের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে করোনা মোকাবেলায় নানা উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছেন।

এটা তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। তনি বাংলাদেশের সকল নার্সের গর্ব। জাতীয় হ্রদরোগ হাসপাতালকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন। তিনি কাজকে ভালবাসেন নার্সিং কে ভালবাসেন আর এ ভালবাসার প্রতিদান তিনি পেয়েছেন।
আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পেলেন এনআইসিভিডির নার্সিং কর্মকর্তা মিতালি কর্মকার।

গ্লোবাল হিউম্যানিটেরিয়ান এ্যওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশী নার্স মিতালী কর্মকার। তিনি ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (এনআইসিভিডি) তে সিনিয়র স্টাফ হিসেবে কর্মরত আছেন।

আজ ২৮ই জুন আমেরিকায় World Humanitarian Drive অফিস থেকে আন্তর্জাতিকভাবে এই স্বীকৃতি দেয়া হয়। এই ইভেন্টে ৫০ টি দেশের ৬০ হাজার প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। মোট ১২ টি ক্যাটাগরিতে এই এ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। করোনায় ফ্রন্টলাইন ফাইটার্স হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করায় তাকে এই পুরষ্কারে মনোনীত করা হয়েছে। ১২ ক্যাটাগরীতে মেডিকেল সার্ভিস রয়েছে ১ম ক্যাটাগরিতে।

মিতালি রানী কর্মকার ২০১৬ সালে সরকারি চাকরিতে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগদান করেন। দেশে করোনা মোকাবিলায় তিনি ২৭ এপ্রিল থেকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে করোনা আইসোলেশনে নার্স হিসেবে রোগীদের সেবায় নিয়োজিত আছেন। এবং করোনা রোগীর সেবা দিতে গিয়ে ১৫ই মে নিজেই করোনায় আক্রান্ত হন৷ পরে ২৭ মে করোনা নেগেটিভ আসার পরে পরবর্তীতে ১৪ই জুন পূনরায় করোনা আইসোলেশনে কাজ করা শুরু করেন।

নার্সিং পেশার পাশাপাশি তিনি নানা সমাজ সংগঠনমূলক কাজে জড়িত। তিনি সোসাইটি ফর নার্সেস সেফটি এন্ড রাইটসের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে করোনা মোকাবেলায় নানা উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছেন।

এটা তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। তনি বাংলাদেশের সকল নার্সের গর্ব। জাতীয় হ্রদরোগ হাসপাতালকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন। তিনি কাজকে ভালবাসেন নার্সিং কে ভালবাসেন আর এ ভালবাসার প্রতিদান তিনি পেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares