কুলাউড়ার হাজীপুরে রাস্তার উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশিত: ৪:০৩ অপরাহ্ণ, জুন ২, ২০২০

কুলাউড়ার হাজীপুরে রাস্তার উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

Sharing is caring!

কুলাউড়া প্রতিনিধি : কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার শেখ আব্দুর রউফ এর বিরুদ্ধে রাস্তার উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে ওই ওয়ার্ডের লোকজন গত ২৮ মে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছেন। রনচাপ গ্রামের বাবু অনিল কুমার রায়ের নাতী ররুন রায়, ইন্দ্রজিৎদাশ খুকন, সংধাংশু মল্লিক বাবুলগং শতাধিক লোকের স্বাক্ষরীত অভিযোগ থেকে জানা যায়, হাজীপুর ইউনিয়নের রনচাপ গ্রামের অররেন্দ্র সরদারের বাড়ীর সম্মুখ হতে রমুজ আলীর বাড়ী পর্যন্ত ২০১৯-২০ অর্থ বছরের কর্মসৃজন কর্মসূচী প্রকেল্পের মাধ্যমে রাস্তা উন্নয়নের কাজের জন্য দুই লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্ধ করা হয়। এ কাজের প্রকল্প চেয়ারম্যান হন ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ আব্দুর রউফ রাস্তার উন্নয়ন কাজ না করে ৫-৬ জন শ্রমিক দিয়ে নামকাওয়াস্তে কিছু মাটি দিয়ে বরাদ্ধের পূরো টাকা আত্তসাৎ করেছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগে উল্লেখ করেন। এছাড়াও নলকূপ, বিধবা ভাতার কার্ড, বয়স্ক ভাতার কার্ডসহ সরকারি সহায়তার বিভিন্ন প্রকল্পে শেখ আব্দুর রউফ মেম্বার নানা ধরনের অনিয়ম করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এদিকে চলমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তার (ঈদ উপহার- নগদ ২৫০০ টাকার) কার্ডের নামে অনিয়ম করেছেন বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।

আর এ বিষয় নিয়েও এলাকার আব্দুল আজিজ, আব্দুল হান্নান , আরাফ উদ্দিন রজব কুলাউড়া উপজেলা নিবার্হী অফিসার বরাবর পৃথক আরেকটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য শেখ আব্দুর রউফের সাথে মুঠোফোন কথা হলে উল্লেখিত অভিযোগগুলো অস্বীকার করে তিনি বলেন, অামি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি করিনি। রাস্তার কাজ এখনও চলমান। সেজন্য বরাদ্ধের অর্ধেক বিল তুলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার তালিকায় মাত্র ১০৮ জনের নাম দেয়া সম্ভব হয়েছে। যাদের নাম দেয়া সম্ভব হয়নি মূলত তারাই আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগটি দিয়েছেন।

হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাসিত বাচ্চু জানান, বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে স্থানীয় লোকজন শেখ মেম্বারের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবরে অভিযোগ করেছেন। তবে আমি কোন কপি পাইনি। এব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শিমুল আলী বলেন, ইউএনও স্যারের নির্দেশে সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। প্রকল্প চেয়ারম্যানকে (ওই ওয়ার্ডের মেম্বার) বরাদ্ধের অর্ধেক বিল দেয়া হয়েছে এবং সে পরিমান কাজও হয়েছে। এখনও কাজ চলছে, শেষ হওয়ার পর সরেজমিন দেখে বাকি বিল দেয়া হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares