সিলেটে সেই মৃত্যু নারী করোনা আক্রান্ত ছিলেন না

প্রকাশিত: ৪:০৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৪, ২০২০

সিলেটে সেই মৃত্যু নারী করোনা আক্রান্ত ছিলেন না

Sharing is caring!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : সিলেটে চিকিৎসাধিন অবস্থায় গত শনিবার দিবাগত রাতে মারা যাওয়া সেই নারীর শরীরে করোনাভাইরাস ছিলো না। তিনি জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টজনতি কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। তথ্যটি আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. আনিছুর রহমান।

তিনি জানান, যুক্তরাজ্য ফেরত সিলেটের শামীমাবাদ এলাকার সেই মহিলা করোনা আক্রান্ত সন্দেহে শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় গত শনিবার দিবাগত শেষ রাতে মারা যান। কিন্তু আইইডিসিআর-এর পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে যে- তার শরীরে করোনাভাইরাসের আক্রমণ ছিলো না। জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টই তার মৃত্যুর কারণ।

এর আগে গত রবিবার (২২ মার্চ) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে সিলেটে আইসোলেশন ইউনিটে মৃত্যুবরণকারী যুক্তরাজ্যফেরত ওই নারীর মুখের লালাসহ অন্যান্য স্যাম্পল সংগ্রহ করে নিয়ে যায় ঢাকা থেকে আগত আইইডিসিআর টিম। রবিবার দুপুর ১২টায় ওসমানী হাসপাতালের চিকিৎসকদের সহায়তায় ওই নারীর স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়।

উল্লেখ্য, সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে গত শনিবার দিবাগত শেষ রাতে মৃত্যুবরণকারী শামীমাবাদের সেই মহিলা যুক্তরাজ্যের মানচেস্টারে অভিবাসী ছিলেন।

মরহুমার খালাতো ভাই যুক্তরাজ্য প্রবাসী মনছব আলীর একটি ফেসবুক পোস্টের সূত্রে জানা গেছে, সেই মহিলা যুক্তরাজ্যের মানচেস্টারে পরিবারের সাথে বসবাস করতেন। চলতি মাসের ৪ তারিখে তিনি এক সংক্ষিপ্ত সফরে সিলেটে আসেন। গ্রামের বাড়িতেও স্বজনদের সাথে সময় কাটান। দেশে আসার কয়েক দিনের মধ্যেই ষাটোর্ধ এ মহিলা জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে তাকে শহীদ শামসুদ্দীন হাসপাতালের আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়। গত শনিবার দিবাগত শেষ রাতে এখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরদিন রবিবার দুপুরে তাকে সিলেট নগরের মানিকপির টিলায় দাফন করা হয়।

মৃত্যুবরণকারী মহিলা মানচেস্টার আওয়ামী লীগের সভাপতি, গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইন ইউকে’র নর্থ-ওয়েস্ট রিজিয়নের উপদেষ্টা ও মানচেস্টার শাহজালাল মস্ক এন্ড ইসলামিক সেন্টারের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সুরাবুর রহমানের সহধর্মিণী এবং মানচেস্টার সিটি কাউন্সিলের লিড মেম্বার কাউন্সিলর লুৎফুর রহমানের মাতা। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, ২ পুত্র, ২ কন্যা, নাতি-নাতনি এবং আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares