প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ : বড়লেখায় এখনো বন্ধ হচ্ছে না বাবলুর জুয়ার মেলা, সর্বমহলে প্রতিবাদের ঝড়

প্রকাশিত: ৮:৪৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৬, ২০২০

প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ : বড়লেখায় এখনো বন্ধ হচ্ছে না বাবলুর জুয়ার মেলা, সর্বমহলে প্রতিবাদের ঝড়

Sharing is caring!

রুদ্র বিজয়, বড়লেখা :: বাংলাদেশ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কল্যাণ সোসাইটি নামে বড়লেখা উপজেলায় প্রতারণার ফাঁদ পেতেছেন মেলা ব্যবসায়ী মঈন খান বাবলু। দেশের সকল শিক্ষ প্রতিষ্টান ও সকল ধরণের খেলা সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি সিলেটের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাও করোনার কারণে বন্ধ করেন মেলা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বড়লেখায় মেলা বাবলুর জুয়ার মেলা কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। তার এই মেলা বন্ধ না হওয়াতে সর্ব মহলে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। মেলা বাবলু কোন নিয়ম নীর্তির তোয়াক্কা না করেই স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে এই জুয়া নামক মেলা।

জানা গেছে, সিলেটের বটেশ্বরের পর বাবলু মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার ”বড়লেখা সরকারি কলেজ মাঠে” মাসব্যাপী শিল্প-পণ্য বাণিজ্য মেলার আয়োজন করেছেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ”বড়লেখা সরকারি কলেজ মাঠে” এই মেলাটি উদ্বোধন হয়। গত ১০ মার্চ মেলার মেয়াদ শেষ হলেও রহস্যজনক কারণে এই জুয়ার মেলা চলছে।

এদিকে ”বড়লেখা সরকারি কলেজ মাঠে” মাসব্যাপী মেলার আয়োজন করায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে পুরো উপজেলা জুড়ে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী সমিতি। অপরদিকে ”সরকারি কলেজ মাঠে” মেলার আয়োজন করার প্রতিবাদে একটি পক্ষ বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের দারস্থ হয়েছেন। সূত্র জানিয়েছে, মেলার প্রধান সমন্বয়কারী সিলেট মেট্রোপলিট্রন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সদস্য এম. এ মঈন খান বাবলু। দেশী পণ্য প্রসারের নামে মেলা আয়োজন করা হলেও বাংলাদেশ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কল্যাণ সোসাইটি নামের সংস্থাটির টার্গেট ওয়াটার পার্ক ও লটারির আয়োজন করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার। তাই প্রতি সপ্তাহের রাত ১০টায় র‌্যাফেল ড্র -এর আয়োজনও করেছেন তিনি।

বাংলাদেশ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কল্যাণ সোসাইটির সভাপতি এম.এম. মোশারফ হোসেন মেলা ব্যবসায়ী বাবলুর কাছের লোক। এই সংগঠনের সিলেট বিভাগে নেই কোনো অফিস। মোশারফের মাধ্যমে বড়লেখা উপজেলায়মেলা দিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া পায়তারা বাবলু। অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, মেলায় নিম্নমানের পণ্য দিয়ে পসরা সাজানো হয়েছে। র‌্যাফেল ড্র-এর নামে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন না নিয়েই মেলায় প্রবেশ টিকিটের উপর কাগজের লটারির আয়োজন করা হয়েছে। এতে পুরস্কার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে লোভনীয় পুরস্কার। আর এসবের প্রলোভনে পড়ে সাধারণ মানুষ হাজার হাজার টাকার টিকেট ক্রয় করছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares