জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম মানছেন না অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন!

প্রকাশিত: ১০:০৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০২০

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম মানছেন না অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন!

Sharing is caring!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : শিক্ষামন্ত্রনালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে সিলেটে মঈন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজের দূর্নীতিবাজ ও বিতর্কিত অধ্যক্ষ মো. গিয়াস উদ্দিন কলেজ পরিচালনা পর্ষদকে প্রভাবিত করে বিশেষ বর্ধিত সভা করে গত ৭ মার্চ শিক্ষক হিসেবে ২য় বারের মতো চুক্তিভিত্তিক চাকুরীর মেয়াদ বৃদ্ধির সুপারিশ নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়য়ের কর্তৃপক্ষের চুড়ান্ত অনুমোদন আনার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঐ কলেজের কয়েকজন শিক্ষক। জানা যায়, অধ্যক্ষ মো. গিয়াস উদ্দিন সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা কলেজের ২ বছর প্রভাষক পদে চাকরী করার পর ঐ কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান। দীর্ঘদিন ঐ কলেজে অধ্যক্ষ পদে শিক্ষকতা করার পর ২০০৯ সালের ১লা নভেম্বর তিনি অধ্যক্ষ পদে মঈন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজে যোগদান করে আজ পর্যন্ত কর্মরত আছেন।

আগামী ১৪ মার্চ অধ্যক্ষের ৬২ বছর পূর্ন হওয়ায় অবসরে যাওয়ার কথা। কিন্তু অবসরে না গিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম ভেঙ্গে আবারো শিক্ষক পদে অনুমোদন এনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়ার চেষ্টা করছেন। শিক্ষা মন্ত্রনালয় ২০১৮ সালের ১২ জুন তারিখে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বয়স ৬০ বছর হওয়ার পর কোনো প্রতিষ্টানে কোনো অবস্থাতেই পুনঃ নিয়োগ কিংবা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যাবেনা। ঐ প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয় বয়স ৬০ বছর পূর্ন হবার পর পুনঃনিয়োগের অভিযোগ প্রমানিত হলে প্রতিষ্ঠানের বেতন ভাতার সরকারি অংশ স্থগিতকরণসহ প্রতিষ্ঠানের গভনিং বডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।

এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ সালের রেগুলেশনে ১৫(ক) উলে­খ রয়েছে ৬০ বছর বয়স হলেই অধ্যক্ষ বাধ্যতামূলক অবসর গ্রহন করবেন। তবে শুধু মাত্র কলেজের পাঠদানের স্বার্থে কোন শিক্ষককে গভনিং বডির সুপারিশ নিয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু অধ্যক্ষ কলেজের যোগদান করার পর থেকে কখনই রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে পাঠদান করেননি।

অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন বিগত গত ২৩ অক্টোবর কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভায় চাকুরীর মেয়াদ বর্ধিত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে যথারীতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চুড়ান্ত অনুমোদন আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও মাউশির নিয়ম অনুযায়ী অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগে ব্যার্থ হয়ে দূরভিসুন্দমূলক ভাবে বিগত ৭ মার্চ বিশেষ বর্ধিত সভা আহবান করেন।

ঐ সভায় অধ্যক্ষের শিক্ষক হিসেবে চাকুরীর মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে বিপক্ষে আলোচনার শেষ পর্যায়ে অধ্যক্ষ কৌশল অবলম্বন করে সভাপতির সুপারিশ নিতে বাধ্য হন যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও মাউশির আইন পরিপন্থি। তাছাড়া অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মহোদয়কে অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিনের চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক হিসেবে নবায়ন না করার অনুরোধ জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares