সিলেট পাসপোর্ট অফিসে জনবল সংকটে ব্যাহত সেবা: বিড়ম্বনার শিকার শত শত লোক

প্রকাশিত: ৬:১৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০২০

সিলেট পাসপোর্ট অফিসে জনবল সংকটে ব্যাহত সেবা: বিড়ম্বনার শিকার শত শত লোক

Sharing is caring!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : জনবল সংকটে পড়েছে সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস। ৩১টি পদের বিপরীতে আছেন মাত্র ১৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। জনবল সংকটের কারণে প্রতিদিন সেবা নিতে আসা শত শত লোক বিড়ম্বনার শিকার হন। এ অবস্থায় শূন্য পদ পূরণ করে সিলেট পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সেবার পরিধি বৃদ্ধির দাবি করেছেন সিলেটের ট্রাভেলস ব্যবসায়ীসহ সেবাগ্রহীতারা।

এদিকে গত ১৪ নভেম্বর শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছেন সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক সাঈদুল ইসলাম।

জানা গেছে, বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (আইকাও) নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতি কর্মদিবসে একজন অপারেটরকে ৩৫টি ও কর্মকর্তাকে ৭২টি আবেদন সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে। কিন্তু সিলেটে লোকবলের অভাবে এর কয়েকগুণ বেশি কাজ করতে হচ্ছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

সিলেট পাসপোর্ট অফিসে একজন পরিচালক, একজন সহকারী পরিচালক, একজন উপসহকারী পরিচালক ও ১০ জন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরসহ ৩১ জনবল থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে একজন পরিচালকসহ ১৭ জন কর্মরত আছেন। এর মধ্যে কম্পিউটার অপারেটর বা ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আছেন ছয়জন। তাদের পক্ষে প্রতিদিন ১৪০০ থেকে ১৫০০ পাসপোর্ট ও ২৫ জন ভিসাপ্রার্থীর আবেদন ও এনরোলমেন্ট কার্যক্রম, ভিসা ও পাসপোর্ট বিতরণ এবং গ্রহণ অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা শত শত লোক দক্ষিণ সুরমার আলমপুরের বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে বিড়ম্বনার শিকার হন।

সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক সাঈদুল ইসলাম জানান, সিলেট পাসপোর্ট অফিসে সেবাপ্রত্যাশীর সংখ্যা অনেক বেশি। এই বিপুল সেবাপ্রত্যাশীর প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার মতো স্থান ও অবকাঠামোগত সুবিধা অপ্রতুল। এ অবস্থায় বিপুল সংখ্যক এই সেবাপ্রত্যাশীর কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে হলে জনবল সংকট দূর করতে হবে। পাশাপাশি অবকাঠামো সুবিধাও বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, আয়তন ও জনসংখ্যা বিবেচনা করে সিলেটে অন্তত দুটি অফিস স্থাপন করা প্রয়োজন। এর মধ্যে একটি হবে বিভাগীয় অফিস এবং অন্যটি মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য।

জিন্দাবাজারের ট্রাভেলস ব্যবসায়ী তালুকদার মকবুল হোসেন জানান, পাসপোর্ট করতে গিয়ে লোকজন নানা বিড়ম্বনার শিকার হন। এসব বিষয় চিহ্নিত করে সেবার মান বাড়াতে যা প্রয়োজন সরকারকে তাই করতে হবে। সিলেটে প্রতিদিন চার-পাঁচশ’ লোক সেবা নিতে পাসপোর্ট অফিসে যান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares