টিকেট মাস্টারের বিরুদ্ধে রূপার দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ!

প্রকাশিত: 9:55 PM, November 20, 2019

টিকেট মাস্টারের বিরুদ্ধে রূপার দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ!

Sharing is caring!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : বরিশালের সংরক্ষিত কাউন্সিলর ইসরাত আমান রূপা লঞ্চের টিকেট মাস্টার সাইমুন আহমদ কালুর বিরুদ্ধে ১কোটি ৬৫লক্ষ টাকার অভিযোগ করেছে। ইসরাত আমান রূপা ১৬,১৭,১৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ১৬ নং ওয়ার্ডের ব্রাউন কম্পাউন্ড এলাকার মোঃ বাদশা আমানউল্লাহর মেয়ে ও সাইমুন আহমদ কালু ১৫ নং ওয়ার্ডের ফরেস্টার বাড়ির বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুর রহমান এর ছেলে।

কাউন্সিলর রূপা বরিশাল কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করেন লঞ্চের টিকেট মাস্টার সাইমুন আহমদ কালু কে ব্যবসায়িক সূত্রে বিভিন্ন সময় আর্থিক সহায়তা করেন তিনি। সে আমার টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করছে এবং টাকা চাইতে গেলে আমাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছে। এই মর্মে তিনি অভিযোগ করেছেন।

লঞ্চের টিকেট মাস্টার সাইমুন আহমদ কালুর সাথে যোগাযোগ করলে বলে এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন গুজব, কাউন্সিলর ইসরাত আমান রূপা সাথে আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিলো এবং সময় বিশেষ আমার কাছ থেকে সে হাজার দু-এক টাকা ঋণ প্রায় নিয়েছেন। সাবেক কাউন্সিলর ও আমার সিনিয়র রাজনৈতিক নেত্রি হিসেবে আমি থাকে শ্রদ্ধার সাথে যে কোন ডাকে সময়ে সাড়া দিয়েছি। এটাই ছিলো আমার সবচেয়ে বড় ভুল, আমার শ্রদ্ধা সম্মান কে দুর্বলতা ভেবে একসময় আমার দেওয়া টাকা ঋণ পরিশোধ না করে আরো টাকা নেওয়ার জন্য চাইলে আমি দিতে চাইনি।

এরপর থেকে কাউন্সিলর রূপা লঞ্চের ভিআইপি সিট বুকিং করে বাড়া ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত শুরু করেন। যাতায়াতের সময় তার অনৈতিক সম্পর্কিত লোকজন তাদের নিয়ে বেড়াতে দেখা যায় এবং আমি বাদা দিয়ে থাকি। তার নেতৃত্বের এহেন অত্যাচার ভায়ে মুখ খুলিনি কখনো। এই থেকে তার প্রতি আমার দুরত্ব শুরু হয় একদিন রূপা শহরের একটি হোটেলে আসার জন্য আমাকে অনুরোধ করলে আমি আসলেই আমাকে কয়েকজন লোক ঘেরাও করে ভিডিও করার প্রস্তুতি দেখে আমার সন্দেহ হলে আমি ছুটে আসার চেষ্টা করি পাশের লোকজনের আমদের প্রতি নজরদারি করণে ছুটে আসি। রূপার নেতৃত্বের এহেন অপকর্মের হুমকিতে লঞ্চের চাকরি ছেড়ে গৃহবন্দী আমি।

রূপা প্রেমের মহান সাগর তাঁর প্রেমে জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক নেতাকর্মী সহ বিভিন্ন মহলের লোকজন রয়েছে সময়ে তাদের ক্ষমতা ব্যবহার করে। ভয়ংকর রূপা নিজের রূপের ফাঁদে অনেক নির্যাতনের শিকার করে কিন্তু ভয়ে মুখ খুলতে নারাজ। জানা যায়, অন্তত ১০ বছর পূর্বে নগরীর ভাটিখানা এলাকার এক প্রবাসীর সাথে বড় অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রথম বিয়ের পিড়িতে বসেন তিনি। তার সকল অর্থ আত্মসাৎ করে সেও নির্যাতিত হয়ে সংসার ত্যাগ নতুন সংসার শুরু করেন বর্তমানে তিনি তৃতীয় স্বামীর সংসার রয়েছেন রূপা, তার এহেন অপকর্মে কারণে পুরো এলাকা ক্ষিপ্ত রয়েছে। আমেরিকার লিটন নামে এক প্রবাসী বলেন, কৌশলে অবলম্বন করে রূপার খপ্পর থেকে সরে আসছি না হয় আলোচনা সামালোচনায় পড়েছে হতো আমার এমন অভিযোগ অনেক রয়েছে তার। বিদেশি ও সম্পদশলীদের অর্থ আত্মসাতের ধান্দা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তিনি।

সাইমুন আহমদ কালু উপর অভিযোগের বিষয় মোবাইল ফোন শিকার করে কাউন্সিলর ইসরাত আমান রূপা। বিস্তারিত জানতে চাইলে মোবাইল ফোন কথা না বলে তার সাথে দেখা করতে বলেন তিনি বুঝাতে চেষ্টা করেন সাংবাদিক আসলেই টাকা দিয়ে কিনে নিবেন। স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, সাইমুন আহমদ কালু ভয়ে স্ত্রী বাচ্চাদের শশুর বাড়িতে পাঠিয়ে এখন দিশেহারা এবং নিরাপত্তাহীনতায় বিরাজ করছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

November 2019
S S M T W T F
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

সর্বশেষ খবর

………………………..