ছাতকে নদীর মোহনায় মাটি ভরাট করে সরকারি জায়গায় অবৈধ ঘর নির্মান

প্রকাশিত: ৮:৩৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৯, ২০১৯

ছাতকে নদীর মোহনায় মাটি ভরাট করে সরকারি জায়গায় অবৈধ ঘর নির্মান

Sharing is caring!

ছাতক প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় সরকারি খাস খতিয়ান ভোক্ত পটিয়ারা নদীর মোহনায় অবৈধভাবে মাটি ভরাট করে স্থায়ী ঘর-বাড়ী নির্মান ও পানি চলাচল ব্যাহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক বরাবরে উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের গোয়াসপুর গ্রামের মো. আব্দুল কাইয়ুম(বাচ্চু)সহ গ্রামবাসীর পক্ষে পয়তাল্লিশজন ব্যক্তি স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এতে একই ইউনিয়নের খাগামুড়া গ্রামের মৃত ছমেদ আলীর ছেলে ফজর আলীকে প্রধানসহ ৭জনকে আসামী করা হয়।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, পটিয়ারা নদীর মোহনায় পূর্ব পিরপুর মৌজার সে: মে: জরিপ ১৬৩ নং দাগের নদী রকম ভূমিতে মাটি ভরাট করে স্থায়ীভাবে কাচা ও পাকা গৃহ নির্মানসহ গাছ লাগিয়ে সরকারি সম্পাদ অবৈধ ভাবে ভোগ দখল করা হচ্ছে। যার ফলে পানি চলাচল ব্যাহত হয়ে গ্রামবাসীসহ উজানের বসবাসকারীরা ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন। নদীর সামান্য অংশ সুরু খালগুলির পানি প্রবল ভেগে প্রবাহিত হয়ে সাধারন মানুষের চলাচলের রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে। এতে সরকার আর্থীকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পাশা-পাশি জনসাধারনের চলাচল মারাত্বক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোক্তরা অত্যন্ত ধনাঢ্য ও প্রভাবশালী হওয়াতে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে সকল বাধা আপত্তি অমান্য করে অবৈধভাবে দখলকার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযোক্ত ফজর আলীর ভাই অভিযুক্ত নুরু মিয়ার মোঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিব করে তার স্ত্রী পরিচয় দিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আখলাকুর রহমান বলেন, দুই গ্রমাবাসীর মধ্যে নদী সংক্রান্ত বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। উভয় গ্রামের লোকজন আমাকে মৌখিক অবগত করেছেন যে, তারা আইনত প্রক্রিয়ায় এগুচ্ছেন।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, অভিযোগ সামনের টেবিলে রিসিব করা হয়। সিরিয়ালমত আমার হাতে আসে। দেখার পরই কিছু বলা যাবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

November 2019
S S M T W T F
« Oct    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares