ডেঙ্গু জ্বরে ৩ সপ্তাহে ৩ চিকিৎসকের মৃত্যু

প্রকাশিত: ৬:৩৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৬, ২০১৯

ডেঙ্গু জ্বরে ৩ সপ্তাহে ৩ চিকিৎসকের মৃত্যু

Sharing is caring!

রাজধানীতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিন সপ্তাহে তিনজন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে গত ৩ জুলাই স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. নিগার নাহিদ দিপু, রোববার (২২ জুলাই) রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় হবিগঞ্জের নবাগত সিভিল সার্জন ডা. শাহাদাত হোসেন হাজরা ও সর্বশেষ আজ শুক্রবার মারা যান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনারারি চিকিৎসক তানিয়া সুলতানা।

জানা যায়, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গত বুধবার তানিয়াকে মগবাজারের ওয়্যারলেস গেট এলাকার ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিনই তাকে স্থানান্তর করা হয় আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

নিহত তানিয়া সুলতানার স্বামী আমিনুল বাহার জানান, তানিয়া সুলতানা গত ২২ জুলাই থেকে জ্বরে ভুগছিলেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার ডেঙ্গু পজিটিভ আসে। ২৪ জুলাই তাকে রাজধানীর মগবাজারে কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল তাকে আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রাত ১০টায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত তানিয়া সুলতানা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের ৪৭ ব্যাচের ছাত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনারারি চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এ নিয়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মোট তিনজন চিকিৎসকের মৃত্যু হলো। এর আগে রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নিগার নাহিদ দিপু নামে একজন নারী চিকিৎসক ও পরবর্তীতে গত কয়েকদিন আগে হবিগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন শাহাদাত হোসেন হাজরা মারা যান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত মাত্র ৮ জন বলা হলেও বেসরকারি হিসাবে এ মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে তিন গুণ বলা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ২৫৬ জন। মোট আক্রান্ত রোগীর মধ্যে চলতি মাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক ৭ হাজার ১১২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares