বিশ্বনাথে সৎ ভাবীর রোষানলে ফাহিমা : নেপথ্যে আলোচিত জাপানেত্রী শিউলী

প্রকাশিত: ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০১৯

বিশ্বনাথে সৎ ভাবীর রোষানলে ফাহিমা : নেপথ্যে আলোচিত জাপানেত্রী শিউলী

Sharing is caring!

বিশ্বনাথে সৎ ভাইয়ের রোষানলের শিকার হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে এক পরিবার। ছেলের এহেন আচরণে সৎ মা ফাতেহা এবং বোন ফাহিমা এখন স্বজনদের বাড়ি বাড়ি আশ্রয় নিয়ে রাত কাটাচ্ছেন। এ অবস্থায় আইনী সহায়তা নিতেও ভয় পাচ্ছে নির্যাতিত মা ও বোন। এ ঘটনায় জাপা নেত্রী শিউলী আক্তারকে দায়ি করে নির্যাতিত পরিবারের দাবি-শিউলির ইন্ধনে পরিকল্পিতভাবে নাজেহাল করার উদ্দেশ্যেই বিভিন্ন মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে মা ফাতিহা এবং বোন ফাহিমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

ঘটনাটি বিশ্বনাথ থানার দেওকলস ইউনিয়নের কোনারাই গ্রামে। জানাগেছে, কোনারাই গ্রামের মৃত বশির আহমদের তিন স্ত্রী। বড় স্ত্রীর ২ ছেলে যথাক্রমে তৌফিকুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম। মেঝো স্ত্রীর এক ছেলে পারভেজ । সে চট্রগামে নানার বাড়ীতে থাকে। তৃতীয় স্ত্রী ফাতেহার একমাত্র কন্যা ফাহিমা। ফাহিমা মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কলেজে লেখাপড়ার চেষ্টা চালালেও অর্থাভাবে তা চালানো সম্ভব হচ্ছেনা-এমন তথ্য জানিয়েছেন কোনারাই গ্রামের এক বাসিন্দা।

শফিকুল আর তৌফিকুল ঢাকায় থেকে একসময় ব্যবসা করতো। পিতার মৃত্যুর পর এলাকায় এসে শফিকুল থেকে যায় এবং সিলেটে ব্যবসা শুরু করে। ২০১৬ সালের ৩০মে শফিকুল বিয়ে করে ফুফুতো বোন ইতিকে। ইতি জাপা নেত্রী শিউলী আক্তারের কন্যা। ফাহিমার দাবি-আমাদের সংসারে কোনো বিরোধ ছিলনা। ভাই ও বোনের মধ্যে সম্পর্কও ছিল চমৎকার। কিন্তু বিয়ের পর পরই শুরু হয় নতুন নাটকীয়তা। শফিকুলের স্ত্রী ইতির গর্ভাবস্থায় মৃত সন্তান প্রসব করলে তার দায় চাপিয়ে দেওয়া হয় আমাদের উপর। ইতির সাথে এক যুবকের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল এমনটি দাবি করে মৃত সন্তান প্রসবের ঘটনাকে এর জন্য দায়ি করা হয়।

গ্রামবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বশির মিয়া মৃত্যুকালে কোনোসম্পত্তি রেখে যাননি। তবে, বশির মিয়ার তৃতীয় পক্ষের স্ত্রীর সাথে ১ম পক্ষের সন্তান শফিকুলের বনিবনা ছিলনা। এনিয়ে দাদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ চলতো। সম্প্রতি শিউলিী আক্তারের মেয়ে শফিকুলের স্ত্রী গর্ভবতী অবস্থায় মৃতসন্তানের জন্ম দিলে ঘটনাটি নতুন করে মোড় নিতে শুরু করে। এ ঘটনাকে সৎ বোন ফাহিমার ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে শফিকুল।

বিষয়টি জানতে শফিকুল ইসলামকে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি আলাপ করতে রাজি নই। পারিবারিক ঘটনা,পরিবারে বসেই শেষ করা হবে বলে জানান তিনি।

শফিকুলের দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি ইবনে সিনার গাইনি/স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জামিলা আলমের সাথে কথা বলে। তিনি জানিয়েছেন, বিষপানে নয়-নিয়ম বহির্ভুত ঔষধ সেবনে ইতির সন্তানের মৃত্যু হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares