প্রচ্ছদ

বিছনাকান্দি সীমান্তে অসাধু অর্থলোভী চোরাচালানীরা গরুর সাথে করছে কি?

০৭ জুলাই ২০১৯, ১৫:৪০

স্টাফ রিপোর্টার ::

Sharing is caring!

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্ত ও পাহাড়তলী তুরুঙ্গ সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়ত আসছে ভারতীয় গরু। আর এই ‘জীবাণুবাহী’ গরু ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছেন সিমূল, জিয়া, নেছার, রহিম ও ফারুক। তাদের বিশাল একটি চক্র রয়েছে বিছনাকান্দি সীমান্ত এলাকায়। এদের ভয়ে স্থানীয় সীমান্ত এলাকার কোন লোক কথা বলার সাহস পায়নি।

তবে এসব গরুর মধ্যে অনেক ‘জীবাণুবাহী’ গরুও রয়েছে। কোনো রকম স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই দেশে প্রবেশ করছে এসব গরু। যা খাওয়ার পরে মানব দেহে নানা ধরনের রোগ সংক্রমিত হচ্ছে।

এসব গরুর চালান দেশে প্রবেশ করার সময় মারা যাওয়া দু-চারটি গরু ফেলে রাখাও হয় চারণভূমিতে। শুধু তাই নয়, এসব গরু মারা গেলেও জীবজন্তু মুখ দেয় না। ‘জীবাণুবাহী’ এসব গরু সিলেটের মাংস বাজার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকছে না, তা ছড়িয়ে যাচ্ছে দেশের নানান প্রান্তে।

বর্তমানে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভারত থেকে গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবাধে আসছে গরুর চালান। আর সেই গুরুতে অধিক মূল্য পাওয়ার আশায় স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ও ইনজেকশন পয়োগে গরু-মহিষ মোটাতাজা করছেন কিছু অসাধু অর্থলোভী চোরাচালানীরা। বেশি দামে পশু বিক্রির জন্য এ পন্থা অবলম্বন করছেন।

অন্যদিকে গরু মোটাতাজাকরণের নিষিদ্ধ ওষুধ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে কোপার বাজারের কামাল ডাক্তারের ওষুধের ফার্মেসিতে। সহজলভ্য হওয়ার সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন অসাধুরা।

এ ধরনের ওষুধ খেয়ে গরুগুলো রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে মোটাতাজার বিপরীতে অনেক গরুর মৃত্যু হচ্ছে। এতে লাভের তুলনায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন অনেক খামারি।

কিছু চোরাচালানীদের ধারণা, স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ পশু মোটাতাজা করতে সহায়ক। তবে তারা এটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জানেন না। আবার অনেক খামারি জেনেই এ পন্থা অবলম্বন করছেন। যাতে পশু মোটাতাজা হলে কিছু বাড়তি টাকা পান।

এসকল গরু দেশে প্রবেশ করছে প্রকাশ্যে। স্থানীয় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যারা বড় অংকের টাকা নিয়ে এসব ‘জীবাণুবাহী’ গরু প্রবেশের সোযোগ করে দিচ্ছেন।

  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ ২৪ খবর

আর্কাইভ

shares