গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করতে কাজল চেয়ারম্যানের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

প্রকাশিত: ১:২৭ পূর্বাহ্ণ, মে ২৯, ২০১৯

গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করতে কাজল চেয়ারম্যানের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ৩নং দিঘীরপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজলের সামাজিক কার্যক্রমে প্রশংসা করছেন সবাই। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরকারের সব ধরনের নাগরিক সুযোগ সুবিধা ও সেবা পৌঁছে দিতে আলী হোসেন কাজল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নানা ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। দিঘীরপাড় ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই তরুণ নন্দিত চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল। সালিশ যোগ্য মামলা মোকদ্দমা যাতে করে আদালত ও থানায় গিয়ে জনসাধারণ বিড়ম্বনার স্বীকার না হয় এজন্য ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করতে বিচারিক এজলাসকে সাজিয়েছেন অত্যন্ত সুন্দর করে। গ্রাম আদালতে ইউনিয়নের সালিশযোগ্য সব ধরনের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করে জনসাধারণ যাতে করে হয়রানী ও আর্থিক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার না হন এজন্য গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন আলী হোসেন কাজল। কারন বর্তমান সময়ে দেখা গেছে প্রায় ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম র্দুবল থাকায় গ্রামের সাধারণ মানুষেরা স্থানীয় থানা প্রশাসন কিংবা আদালতের ধারস্থ হতে হয়। গ্রাম্য সহজ সরল এ মানুষেরা সচেতনতার অভাবে তারা আইনের সেবকদের কাছে যাওয়ার পূর্বেই উৎপেতে থাকা স্থানীয় দালাল চক্রের কবলে পড়ে যান। এতে তারা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ সহ থানা কিংবা আদালতের বারান্দায় দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। এই বিষয়টি বিবেচনা করে দিঘীরপাড়ের উদীয়মান চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল তার ইউনিয়নের গ্রাম আদালতকে আরো শক্তিশালী করতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ব্যায়ে অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে একটি এজলাস তৈরী করেছেন। সরেজমিনে তার ইউনিয়ন পরিষদ ঘুরে দেখা যায়, পরিষদের হলরুম যেন এক মিনি আদালতের এজলাস। তার এ উদ্যেগকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউনিয়নের সচেতন মহল। কারন দেশের প্রতিটি ইউনিয়নের এখতিয়ারাধীন এলাকায় কতিপয় বিরোধ ও বিবাদের সহজ ও দ্রæত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালত গঠনকল্পে প্রণীত আইন রয়েছে। যা বর্তমানে ২০০৬ এর আইন নামে অভিহিত। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬১ নং আইন) এর ধারা ২ এর দফা (৫-৬) এ সংজ্ঞায়িত রয়েছে। এখানে গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী আখ্যায়িত করে বলা হয়েছে যা অবিলম্বে কার্যকর হইবে কেবলমাত্র ইউনিয়নের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায়। ইউপি চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করে মোট ৫ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত। আর ইউপি চেয়ারম্যান হচ্ছেন এই আদালতের বিচারক। এখানে ফৌজদারী কার্যবিধি এবং দেওয়ানী কার্যবিধিতে যা কিছুই থাকুক না কেন গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে। তবে কোন ফৌজদারী বা দেওয়ানী আদালতের অনুরূপ কোন মামলা বা মোকদ্দমার বিচার করিবার তাদের এখতিয়ার থাকে না। এ ব্যাপারে তরুন চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, সমাজে এখন ছোট খাটো অনেক অপরাধ কর্মকান্ড বেড়ে গেছে। জমি নিয়ে সব-সময় বিরোধ লেগে থাকে। এসব ছোট খাটো অপরাধ কর্মকান্ডের বিচার এবং জমি-জমার বিরোধ নিষ্পত্তিতে ইউনিয়ন গ্রাম আদালতের এখতিয়ার রয়েছে। আমার ইউনিয়নের কোন জনসাধারণ তাদের সমস্যা নিয়ে যাতে করে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিচার নিয়ে হয়রানী না হন এজন্য আমার ইউনিয়নের গ্রাম আদালতকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছি। সাংবাদিক সহ সবাই যদি আমাকে এক্ষেত্রে সহযোগিতা করে থাকেন, তাহলে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আমি জনগণের সেবার পরিধি বিস্তার করতে পারব।

Sharing is caring!

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

………………………..