জোটের স্বার্থে সিলেট-৪ আসন জমিয়তকে ছাড় দিতে হবে-মাও. আতাউর রহমান

প্রকাশিত: ৬:২৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৬, ২০১৮

জোটের স্বার্থে সিলেট-৪ আসন জমিয়তকে ছাড় দিতে হবে-মাও. আতাউর রহমান

২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও সিলেট জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আতাউর রহমান বলেছেন, গোয়াইনঘাট-জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। এমনকি উভয় উপজেলাতে ওয়ার্ড থেকে নিয়ে প্রতিটি শাখায় আমাদের দলের শক্তিশালী কমিটি রয়েছে। সবদিক বিবেচনা করে সিলেট-৪ আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছাড় দিতে হবে।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম আমাকে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনীত করেছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আমি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনোনীত হয়ে নমিনেশন দাখিল করি। তখন সিলেটের উন্নয়নের রূপকার প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান এর নির্দেশে নমিনেশন বাতিল করে দিলদার হোসেন সেলিমকে সমর্থন জানাই। এমনকি দিন রাত তার জন্য দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে কাজ করি। তখন অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন আগামী জাতীয় নির্বাচনে আপনাকে সিলেট-৪ আসন ছাড় দেয়া হবে। সে ধারাবাহিকতায় দীর্ঘদিন থেকে আমি আমার নির্বাচনী এলাকায় কাজ করে আসছি। আমি আশা করি জোটের স্বার্থে সবদিক বিবেচনা করে একাদশ নির্বাচনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে সিলেট-৪ আসন ছাড় দিবে।

মাওলানা আতাউর রহমান বলেন, সিলেট-৪ আসনের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। উন্নয়ন চায়। বর্তমান সরকারের দলীয় এমপি থাকা স্বত্তে¡ও সিলেট-৪ আসনের মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। উন্নয়নের নামে শুধু লুটপাট করা হচ্ছে। রাস্তাঘাটের বেহাল দশা সরকার উন্নয়নের কথা বললেও দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই দেশ ও জনগণের স্বার্থে কথা বলতে আমাদেরকে সংসদে যেতে হবে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জমিয়তের কাজ করার জন্য আহŸান জানান।

তিনি রোববার (২৬ আগস্ট) বাদ যোহর গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, যুব জমিয়ত ও ছাত্র জমিয়তের যৌথ উদ্যোগে ঈদ পূণর্মিলনী ও কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

উপজেলা জমিয়তে সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজের সভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা গোলাম আম্বিয়া কয়েসের পরিচালনায় শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ ইসহাক। অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম গোয়াইনঘাট উপজেলার সিনিয়র সহ সভাপতি হাফিজ তাজুল ইসলাম, সহ সভাপতি মাওলানা আবু বকর, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মতিন, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রফিক আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নেজাম উদ্দিন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা রায়হান উদ্দিন, যুব জমিয়তের কেন্দ্রীয় সদস্য হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার, ইউনিয়ন প্রতিনিধির মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা হাবিবুল­াহ, মাওলানা এমদাদুর রহমান, জমিয়ত নেতা ডা. আবুল খয়ের, বদরুল আলম, আজিজুর রহমান, মুফতি শাহনুর, মাওলানা সিফত উল­াহ, মাওলানা হেলাল আহমদ, মাওলানা ছমির আহমদ, ছাত্র জমিয়তের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফিজ জাকির হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হাসনাত, রশিদ আহমদ, আব্দুল আহাদ রাহি, হাফিজ সোহাইল, ছাত্র নেতা আবু তালহা তুফায়েল, তোফায়েল আহমদ সোবহানী, একরামূল হক জুবের, আব্দুল­াহ আল মাহফুজ প্রমুখ।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..