সিলেটে দুই মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষনের উদ্দেশ্যে ঝাপটে ধরে

প্রকাশিত: ৫:৫২ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩, ২০১৮

সিলেটে দুই মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষনের উদ্দেশ্যে ঝাপটে ধরে

ডেস্ক নিউজ :: সিলেটে কিশোরী দুই বোনের উপর যৌন নিপীড়নের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত সোমবার এসএমপির এয়ারপোর্ট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। সিলেট সদর উপজেলার চাতল বারদুয়ারী গ্রামের মরহুম আব্দুল বারীর স্ত্রী হুছনা বেগম এ মামলা করেন। গত ২৮ জুন রাতে সিলেট এয়ারপোর্ট থানাধীন চাতল বারদুয়ারীর মরহুম আব্দুল বারীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মামলার আসামীরা হচ্ছে একই চাতল গ্রামের মৃত মনু মিয়ার পুত্র শামীম আহমদ, নুর উদ্দিনর পুত্র জাহেদ মিয়া ও মৃত আসকর আলীর পুত্র তফুর।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, চাতল বারদুয়ারী গ্রামের মরহুম আব্দুল বারীর দুই কিশোরী মেয়েকে প্রায়ই কু-প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করতো একই চাতল গ্রামের বখাটে শামীম আহমদ, জাহেদ ও তফুর। গত ২৮ জুন রাতের আঁধারে বসতঘরে অন্য লোকজন না থাকার সুয়োগে শামীম আহমদ, জাহেদ ও তফুর মরহুম আব্দুল বাররি ঘরে প্রবেশ করে তার দুই মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষনের উদ্দেশ্যে ঝাপটে ধরে। এসময় তারা শোর-চিৎকার দিতে শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে দেখে বখাটেরা পালিয়ে যায়। এঘটনায় ভিকটিমদ্বয়ের মা হুছনা বেগম বাদী হয়ে এসএমপির এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ দিলে থানা পুলিশ এ মামলা {নং-০৪(৬)১৮} রুজু করে। মামলার পর থেকে বখাটেরা পালিয়ে আত্মগোপনে চলে গেছে।

মামলার বাদী হুছনা বেগম সাংবাদিকদের জানান, আমার মেয়েদের উপর নির্যাতন করে তারা কান্ত হয়নি। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা আমার বসতঘরটি পুড়িয়ে দিয়ে আমাকে বাস্তুহারা করে দেয়। আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারছে না। মামলা তুলে নিতে আসামী-সহ প্রভাবশালীরা আমাদের নানা হুমকি ধমকি দিচ্ছে। তিনি অবিলম্বে আসামীদের গ্রেফতার ও তার পরিবারের নিরাপত্তা বিধানে সরকার ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সিলেট এয়ারপোর্টথানার অফিসার ইনচার্জ গৌছুল হোসেন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক তথ্যের সত্যতা পেয়ে মামলা রুজুকরা হয়েছে এবং আসামীদের গ্রেফতারে তল¬াশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন এয়ারপোর্টথানার এসআই মোঃ আবু তালেব।

Sharing is caring!

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..