বিমান বিধ্বস্ত: রাগীব-রাবেয়া মেডিকেলের ১৩ শিক্ষার্থী নিহত, ৩ দিনের শোক

প্রকাশিত: ৩:৪৯ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০১৮

Sharing is caring!

নিজস্ব প্রতিবেদক :: নেপালে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলার বিমানে সিলেটের জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১৩ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কলেজের পতাকা অর্ধনমিত রাখা, ক্লাস বর্জন ও কালো ব্যাজ ধারণ।

জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আবেদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

মেডিকেল কলেজের ১৩ নেপালি শিক্ষার্থী হলেন- সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্নিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল, শামিরা বেনজারখার, আশ্রা শখিয়া ও প্রিঞ্চি ধনি। রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের নেপালি শিক্ষার্থী উশমা মাইনালি সহপাঠীদের নাম নিশ্চিত করেছেন।

এমবিবিএস চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘ওরা সবাই আমার সিনিয়র। একসঙ্গে চারটা বছর কাটিয়েছি। ওরা খুব ভালো ছিল। আমাদের সাথে মিলেমিশে চলত। কখনো মনেও হয়নি ওরা ভিনদেশি। জানি না তাদের কী হয়েছে? তবুও খুব কষ্ট লাগছে। মাত্র পড়ালেখা শেষ করে বাড়ি ফিরছিল। সেই ফেরা হলো না।’

এই মেডিকেলে পড়ালেখা শেষ করে বর্তমানে মেডিকেল অফিসার হিসাবে আছেন ডা. ইফতেখার হোসেন। তিনি বলেন, ‘ওরা সিনিয়রদের খুব শ্রদ্ধা করত। নিজের বড় ভাইদের মতো ব্যবহার করত। আমি ডাক্তারি করছি, আমার বাবা-মায়ের কত আনন্দ। ওদের বাবা-মায়েরও তো স্বপ্ন এমন ছিলো। তাদের স্বপ্ন পূরণ হলো না। এমবিবিএস ডাক্তার হয়ে মা-বাবার সামনে গিয়ে দাঁড়াতেও পারেনি। এর চেয়ে আর কী দুঃখ হতে পারে?’

সোমবার (১২ মার্চ) নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্ত হয়। বিমান বিধ্বস্তের এ ঘটনায় ৫০জনের বেশি প্রাণহানি হয়েছে বলে দেশটির গণমাধ্যমে সংবাদ এসেছে।

ইউএস বাংলার কর্মকর্তারা জানান, বিমানটির আরোহীদের মধ্যে ৩৭ পুরুষ, ২৭ নারী ও দুই শিশু। যাত্রীদের মধ্যে ৩৩ জন নেপালি, ৩২ জন বাংলাদেশি, মালদ্বীপ ও চীনের আছেন একজন করে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

March 2018
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares