মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা থাকবে

প্রকাশিত: ৮:৪৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৮

Sharing is caring!

ক্রাইম সিলেট ডেস্ক : মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আগামীকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে একুশের অনুষ্ঠান চলা পর্যন্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। আজ সোমবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ডিএমপি’র পক্ষ থেকে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার মো: আছাদুজ্জামান মিয়া।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ডিএমপি’র পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে সুদৃঢ় ও সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শহীদ মিনার ও তার আশপাশে স্থাপন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা।

তিনি আরো বলেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে স্থাপিত পুলিশের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এই ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক রিয়েল টাইম মনিটরিং করা হবে। সাদা পোশাকে ও ইউনিফর্মে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে।

মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, শহীদ মিনার এলাকায় প্রবেশের পূর্বে প্রত্যেক দর্শনার্থীকে একাধিক আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রীবর্গসহ অন্যান্য ভিভিআইপিদের পুস্পস্তবক অর্পন শেষে জনসাধরণের জন্য প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়া হবে। সাধারণ দর্শনার্থীরা পলাশী হয়ে জগন্নাথ হলের সামনে দিয়ে আর্চওয়ের মধ্যে দিয়ে শহীদ মিনারে আসবে। সকলের সুবিধার্থে গমনাগমনের পথ নির্দেশিকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে বড় ব্যানারে ঝুলানো থাকবে।

ডিএমপি কমিশনার আরো বলেন, ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কিছু কিছু সড়কে ড্রাইভারশন থাকবে। চানখাঁরপুল, বকশীবাজার, নীলক্ষেত, পলাশী, শাহবাগ, হাইকোর্ট ক্রসিং, রোমানা চত্বর, এসব এলাকা দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ছাড়া কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ গেটে বসানো হবে নিরাপত্তা তল্লাশি চৌকি। বহিরাগত কেউ ২০ তারিখ সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না।

এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী, পুলিশের কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মো: মনিরুল ইসলাম, রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদারসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

February 2018
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares