সিলেট ৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি
প্রকাশিত: ৬:১৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮
মাজেদ আহমদ : সিলেটের টিলাগড়ে গত চার মাসে ছাত্রলীগের গ্রুপিং রাজনীতির বলি হয়েছে তানিম ইসলাম খানসহ তিন ছাত্রলীগ কর্মী। মূলত আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরেই মৃত্যু হয়েছে তাদের।
সর্বশেষ বলি হলেন সিলেট সরকারি কলেজের ¯œাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তানিম ইসলাম খান। পরিকল্পিতভাবে গত রোববার রাতে টিলাগড়ে তাকে কোপায় ছাত্রলীগেরই অপর একটি গ্রুপের কর্মীরা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তানিমকে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ হত্যাকান্ড নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। অনেকে টিলাগড়কে ‘মূর্তিমান আতংক’ হিসাবেও অভিহিত করেছেন। কেউ কেউ এ জন্য ছাত্রলীগের দুই সাবেক নেতাকে দায়ী করছেন।
হাফিজ আহমদ সুমন নামের একজন লিখেছেন , ‘আর নয় অনেক হয়েছে। ক্ষান্ত দাও। হে রাজনীতি সিলেটের মাটিকে আর রক্তে রঞ্জিত করো না…দয়া করে আর কোনো মায়ের বুক খালি করো না। আমরা এমন ছাত্ররাজনীতি চাই না, যেখানে মানুষের কোনো ন্যুনতম মূল্য নেই…আমরা মানব সেবা ও প্রতিযোগিতার রাজনীতি চাই, প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়।’
দেবাংশু মিঠু ফেসবুকে লিখেন, ‘ঈশ্বর আর কত ভদ্র পল্লীতে থাকবেন। দয়া করে আমাদের জেলে পল্লীর মানুষেদের দেখুন, আমরা বাঁচতে চাই। আমার ভাই তানিম হত্যার বিচার চাই।’
সাংবাদিক এইচ আরিফ লিখেছেন, ‘মরছে শুধু নিরীহ কর্মীরা। নেতারা ঠিকই আরাম আয়েশে আছেন, নেতাদের গাঁয়ে আঁচড়ও লাগে না।’
রাজেশ সরকার অন্য একজন ফেসবুকে লিখেন, ‘একের পর এক মা এর বুক খালি হচ্ছে। নেতারা আঁতাত করে চলে আর প্রাণ যাচ্ছে ছাত্রলীগের ভাইদের। জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ভরাডুবির জন্য একমাত্র সিলেটের ছাত্রলীগই যথেষ্ঠ। হে মহান নেতারা আমাদের বাঁচতে দিন। ধিক্কার জানাই আপনাদের এই অপরাজনীতিকে, আমরা এভাবে লাশের রাজনীতি চাই না, চাই সম্প্রীতির রাজনীতি।’সূ্ত্র-সিলেটের সকাল
Sharing is caring!


………………………..

Design and developed by best-bd