শীতের শুরু থেকেই ‘হাকালুকি’তে অতিথি পাঁখির আগমন

প্রকাশিত: ৭:২৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৫, ২০১৮

Sharing is caring!

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওর চলতি বছরের প্রায় ৮ মাস বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ছিলো। এখনও হাওরের পানি পুরোপুরি কমেনি। শীতের শুরুতেই এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকিতে আসতে শুরু করেছে অতিথি পাখি। সুদুর সাইবেরিয়া ও হিমালয়ের পাদদেশ লাদাক থেকে এরা আসে দেশের বৃহত্তম এই অতিথি পাখির সমাগমস্থলে। অতিথি পাখির কলকাকলিতে পাল্টে যাচ্ছে ছোট বড় ২৩৮টি বিল ও ১০টি নদী নিয়ে গঠিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হাকালুকি হাওরের চেহারা। মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার হাওর পাড়ের বাসিন্দারা জানান, ইতোমধ্যে বড় বড় দলে হাওরের কুলাউড়ার অংশসহ চকিয়া, হাওরখাল পিংলা, জল্লা, কালাপানি, বাইয়াগজুয়া, মালাম, নাগুয়া লরিবাই, কৈয়ারকোনা ও ফুটবিলে বিভিন্ন জাত ও রঙের অতিথি পাখির দেখা পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও শুরু হয়ে গেছে অতিথি পাখির আনাগোনা। প্রতিদিন এদের সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিবছর ৫০-৬০ প্রজাতির পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে হাওরে। এর মধ্যে অনেক বিলুপ্ত প্রজাতির পাখিরও দেখা মেলে। একসময় এই হাওড় অতিথি পাখিদের নিরাপদ অভয়াশ্রম ছিলো। কিন্তু গত ৩ বছর থেকে হাওড়টিতে অতিথি পাখির অভয়াশ্রম নেই বললেই চলে। প্রতি বছর শীতে আসা এসব অতিথি পাখি নিধনে সংঘবদ্ধ একদল বিষটোপ নিয়ে প্রস্তত থাকে। এবারও চক্রটি তাদের অপতৎপরতা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মো. গোলাম রাব্বী জানান, চলতি মৌসুমে অতিথি পাখির আগমন শুরু হয়েছে। শিকারী চক্রকে রোধ করাই এবার হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারপরও হাওর উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অতিথি পাখিদের অবাদ বিচরণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনের বড় ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

সর্বশেষ খবর

………………………..

shares